- সরিষাবাড়ীতে যুবদল নেতার দাপটে গাছ কর্তন ও বাউন্ডারি ভাঙচুরের অভিযোগ - April 16, 2026
- সরকারি অবহেলায় বিপন্ন জনস্বাস্থ্য জলাতঙ্কের টিকা নিশ্চিত করুন - April 16, 2026
- টাঙ্গাইলের মধুপুরে ‘বি নিউজ মিডিয়া’র পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত - April 11, 2026

লাইফস্টাইল
সুস্বাস্থ্যের জন্য ঘুমের বিকল্প নেই। তবে অনেকেরই ঘুমের সময় লালা ঝরার মতো অস্বস্তিকর ঘটনা ঘটে। তবে এটা লজ্জার বিষয় নয়। কারণ, অসুস্থতাজনিত কারণে মুখ দিয়ে লালা ঝরতে পারে। বাচ্চাদের মুখ থেকে লালা বের হওয়া একটি সাধারণ ব্যাপার। শিশুর চার বছর পর্যন্ত মুখ দিয়ে লালা বের হতে পারে।
চিকিৎসকদের মতে, ভুল ভঙ্গিতে ঘুমানোর জন্য লালা ঝরতে পারে। অনেকে দুটো বাহু টেবিলে রেখে তার ওপর মাথা দিয়ে ঘুমান। এই অবস্থায় সহজেই লালা পড়তে পারে। আবার বালিশে মাথা রাখার ভঙ্গি হয়তো ঠিক থাকে না, এ থেকেও লালা পড়তে পারে। তাই লালা পড়া বন্ধ করতে ঘুমের ভঙ্গি ঠিক করতে হবে।
জেনে নিন ঘুমের মধ্যে মুখ থেকে লালা পড়া সমস্যা সমাধানে করণীয় সম্পর্কে-
# প্রাথমিকভাবে এ সমস্যা দূর করতে ঘুমের ভঙ্গিমা বদলাতে হবে। যেহেতু অতিরিক্ত লালা বেরিয়ে আসাটাই সমস্যা, তাই এটা কাটাতে লেবুর ছিলকায় খেলে বেশ উপকার মেলে। অনেকে ম্যানডিবুলার ডিভাইস ব্যবহার করেন। এটা এমন এক যন্ত্র যা মুখে লাগিয়ে ঘুমাতে হয়। এটা ঘুমের সময় মুখ বন্ধ রাখে এবং ঘুমকে আরামদায়ক করে।
# দীর্ঘদিন ধরে যদি এই সমস্যা থাকে তাহলে এটা অন্য কারণেও হতে পারে। মুখে লালা আশার অন্যতম কারণ হলো আপনার মধ্যে যদি কৃমির প্রভাব পড়ে। আর কৃমি বেড়ে গেলে সাধারণত মুখে লালা বের হয়। এরকম হলে কৃমির ওষুধ খাওয়া উচিৎ।
# এছাড়া ঘুমানোর আগে এক গ্লাস পানি পান করতে যেন ভুল না হয়। মনে রাখতে হবে যে, ঘুমানোর অন্তত এক ঘন্টা আগে মিষ্টি জাতীয় কোনো খাবার কিংবা পানীয় পান করবেন/খাইবেন না। আর ঘুমানোর ১০/১৫ মিনিট আগে একটু টক কিংবা লবন মিশ্রিত কিছু খাবেন।
# দীর্ঘ ২০ বছর ধরে অতিরিক্ত লালা নিঃসরণ খুব স্বাভাবিকও নয়। সম্ভবত অধিক দুশ্চিন্তা অথবা মানসিক অশান্তির জন্য এমনটি হচ্ছে। এ ছাড়া আপনার সাইনুসাইটিস বা সেলাইভারি গ্ল্যান্ডে (যা থেকে মুখে লালা বা থুথু বের হয়) কোনো রোগ আছে কি না তা দেখতে হবে।
# দিনে দুবার সকালে ও রাতে খাওয়ার পর দাঁত ব্রাশ করবেন। ভালো মাউথওয়াশ দিয়ে দিনে তিনবার গড়গড়া করবেন খাওয়ার আগে ও পরে। ডায়াবেটিস এবং পরিপাকতন্ত্রে অন্য কোনো রোগ আছে কি না পরীক্ষা করাবেন। ধূমপান থেকে বিরত থাকবেন। অতিরিক্ত মসলাযুক্ত, ঝাল এবং তৈলাক্ত ও চর্বিযুক্ত খাবার খাবেন না।

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.