- সরিষাবাড়ীতে যুবদল নেতার দাপটে গাছ কর্তন ও বাউন্ডারি ভাঙচুরের অভিযোগ - April 16, 2026
- সরকারি অবহেলায় বিপন্ন জনস্বাস্থ্য জলাতঙ্কের টিকা নিশ্চিত করুন - April 16, 2026
- টাঙ্গাইলের মধুপুরে ‘বি নিউজ মিডিয়া’র পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত - April 11, 2026

![]()
কুরআন হাতে লিখলেন যু’দ্ধ বিধ্ব”স্ত দেশ ফিলিস্তিনের রামাল্লার অধিবাসী ২৪ বছরের যুবতী সায়িদা। আক্কাদ পুরো কুরআনুল কারিম হাতে লিখেছেন। পুরো কুরআনুল কারিম হাতে লিখতে সায়িদার সময় লেগেছে তিন বছর। যেখানে মানুষ জীবন মৃ’ত্যুর সং’কায় দিন কাটায়, সেখানে সায়িদার এ অসাধারণ কর্মকাণ্ড সারা বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে।
জেরুজালেমের উত্তরে অবস্থিত ফিলিস্তিনের প্রশাসনিক কাজকর্ম পরিচালনার শহর রামাল্লায় সায়িদা আক্কাদের বসবাস। যু’দ্ধ বিধ্ব’স্ত দেশ রামাল্লায় জীবন যু’দ্ধের সঙ্গে সঙ্গে পুরো কুরআন মাজিদ হাতে লিখার কারণেই কয়েকটি গণমাধ্যমে এ প্রতিবেদন প্রকাশ পায়।
২৪ বছর বয়সী সায়িদা আক্কাদের এ কাজে ফিলিস্তিনের অধিবাসীরাসহ সমগ্র বিশ্ব অবাক। সায়িদা আক্কাদের এ অসামান্য কাজ দেখতে প্রতিবেশীরা ভিড় জমাচ্ছে তার বাড়িতে।
সায়িদা আক্কাদের পিতা রামাল্লায় ফলের ব্যবসা করেন। সে পরিবারের বড় মেয়ে।
২০১৪ সালে পবিত্র কুরআনুল কারিম লেখার কাজ শুরু করেন সায়িদা আক্বাদ। সে তার পড়াশুনা থেকে শুরু করে, দৈনন্দিনের সব কাজ ঠিক রেখেই পবিত্র কুরআনের পাণ্ডুলিপি লেখার কাজ চালিয়ে যেতেন। তার তিন বছরের নিরলস পরিশ্রমে তার এ বিরল সম্মাননার কাজ সম্পন্ন হয়।
কুরআনুল কারিম হাতে লেখা প্রসঙ্গে সায়িদা আক্কাদ জানান, শখের বশেই তিনি নিজ হাতে কুরআনুল কারিমের পাণ্ডুলিপি খিলেছেন। তাছাড়া ফিলিস্তিন ব্যাপক সমস্যা কবলিত একটি দেশ। ইসরায়িলের সঙ্গে চলছে তাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম। ইচ্ছে হলেই তো আর ঘর থেকে বের হওয়া যায় না।
এ সুযোগে পড়াশুনা ও দৈনন্দিন কাজের পর অবসর সময়টাকে কাজে লাগানোর বিকল্প হিসেবে কুরআনুল কারিমের পাণ্ডুলিপি লেখার কাজটাকে বেছে নিয়েই কাজটি শুরু করি। যা তিন বছরে সফলতার মুখ দেখে।
দোয়া করি মাদরাসার শিক্ষার্থীরাও ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, আর্মি অফিসার হোক: ইমরান খান
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বলেছেন, আমি চাই মাদরাসার শিক্ষার্থীরাও ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, আর্মি অফিসার ও পুলিশ কর্মকর্তা হোক। এজন্য মাদরাসা শিক্ষার্থীদের সাইন্স, টেকনোলজি ইত্যাদি আধুনিক বিষয়েও পাঠদান করতে হবে। আমরা মাদরাসা শিক্ষার্থীদের জন্যও সমান সুযোগ সৃষ্টি করতে চাই। খবর ডেইলি জং-এর।
গত শুক্রবার মাদরাসা শিক্ষা-সংস্কার ও কাশ্মীর ইস্যুসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দেশটির শীর্ষস্থানীয় আলেমদের সঙ্গে বৈঠককালে পাক প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পাকিস্তান চাঁদ দেখা কমিটির চেয়ারম্যান মুফতী মুনিরুর রহমান, মাওলানা তাহের আশরাফী, ধর্ম বিষয়ক ফেডারেলমন্ত্রী পীর নুরুল হক কাদেরী, শিক্ষামন্ত্রী শফকত মাহমুদ, তথ্য উপদেষ্টা ফিরদাউস আশিক।
এছাড়াও ওলামায়ে কেরাম ও সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। ডেইলি জং জানায়, উপস্থিত আলেমরা প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে উপরোক্ত বিষয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং মাদরাসা শিক্ষা সংস্কারে পাক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তারাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলেও কথা দিয়েছেন।

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.