টাঙ্গাইলে আদালতে হাজিরা দিতে গিয়ে হামলার শিকার ধনবাড়ী শফিকুল ইসলাম,থানায় লিখিত অভিযোগ

এস.এম আব্দুর রাজ্জাক:

টাঙ্গাইলে আদালতে হাজিরা দিতে গিয়ে মো. শফিকুল ইসলাম (৩০) নামে এক যুবক হামলার শিকার হয়েছেন। তিনি ধনবাড়ী উপজেলার মো. হাবিবুর রহমানের ছেলে। গত সোমবার (১৯ অক্টোবর) আদালত প্রাঙ্গনে এ ঘটনা ঘটে। পরে মঙ্গলবার তিনি বাদি হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় তিনি বাদি হয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযুক্তরা হচ্ছে, ধনবাড়ী উপজেলার চারিশিমুল গ্রামের মো. ওয়ারেছ আলী ছেলে মো. নুর হোসেন (৩০), সেনবাড়ী গ্রামের মৃত জাবেদ আলীর ছেলে মো. আলী আকবর (৫০), একই গ্রামের মৃত বানু মন্ডলের ছেলে মো. বেলাল হোসেন (৪০), মো. জয়নাল মন্ডলের ছেলে মো. জাকির হোসেন (৩৫), মৃত আব্দুর রহিমের মেয়ে মোছা. শিরিনা আক্তার (৩৫), মো. আকবর আলীর স্ত্রী মোছা. রোকেয়া বেগম (৪০), মৃত আব্দুর রহিমের ছেলে মো. রুহুল আমিন (৩৫) ও মৃত আব্দুর রহিমের স্ত্রী মোছা. শামসুন্নাহার।

লিখিত অভিযোগ থেকে জানা যায়, মো. শফিকুল ইসলাম গত সোমবার (১৯ অক্টোবর) তার মায়ের একটি পিটিশনে আদালত এলাকার পাবলিক টয়লেটের পাশে দিয়ে যাওয়ার সময় অভিযুক্তদের সাথে তার দেখা হয়। পূর্ব শত্রুতার জেরে অভিযুক্তরা আসামীকে গালিগালাজ করতে থাকে। প্রতিবাদ করলে নুর হোসেনসহ আসামীরা তাকে মারধর করে। এক পর্যায়ে নুর হোসেন তাকে কাঠের চেয়ার দিয়ে আঘাত করে তার ডান পায়ের গোড়ালীতে হাড়ভাঙ্গা জখম করে। শফিকুলের হাতের আংটি, একটি স্বর্ণের চেইন ও ১০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়ারও অভিযোগ করেন তিনি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত নুর হোসেন বলেন, ‘আমি তাকে কোন মারধর করিনি। আমার স্ত্রী তাকে মারধর করেছে। তবে তার আংটি, স্বর্ণের চেইন ও নগদ ১০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগটি মিথ্যা ও বানোয়াট।

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.